Assignment

গৃহ ব্যবস্থাপনার পর্যায় অনুসরণ করে আমার কক্ষটি আকর্ষণীয় করার উপায়।

সংগঠন –

গৃহীত পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিবারের বিভিন্ন কাজগুলোর মধ্যে সংযোগ সাধন করার নাম সংগঠন।

সংগঠনের পর্যায়ে কোন কাজ কোথায় ও কিভাবে করা হবে তা স্থির করা হয়।

কাজ করতে গেলে কোন কাজ কাকে দিয়ে করানো হবে, সে কাজ সম্পর্কে কার অভিজ্ঞতা আছে, কিভাবে কাজটি করতে হবে, কি কি সম্পদ ব্যবহার করা হবে ইত্যাদি বিবেচ্য বিষয়সমূহ সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত।

এক কথায় কাজ, কর্মী ও সম্পদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাকে সংগঠন বলে।

আমার পরিকল্পিত কাজে আমার মা, বাবা এবং ভাই আমাকে সাহায্য করতে পারবে। যেভাবে তারা আমায় সাহায্য করতে পারে-

প্রথম পর্যায়ে করণীয় কাজের বিভিন্ন অংশের একটি ধারাবাহিক বিন্যাস রচনা করবে।
দ্বিতীয় পর্যায়ে কোন কাজ আগে এবং কোন কাজ পরে হবে তা ধারাবাহিকভাবে রচনা করবে।
তৃতীয় পর্যায়ে নির্দিষ্ট কাজ বা কাজসমূহ ব্যক্তি দ্বারা সম্পন্ন করার জন্য একটি কর্ম কাঠামো রচনা করবে।

এ থেকে বলা যায়, যে কোনো কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের সুচিন্তিত পদক্ষেপ গ্রহণ করাই সংগঠন।

গৃহ ব্যবস্থাপনার পর্যায় অনুসরণ করে আমার কক্ষটি আকর্ষণীয় করার উপায়।

index

নিয়ন্ত্রণ –

গৃহ ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে নিয়ন্ত্রণ করা।

নিয়ন্ত্রণ বলতে বোঝায় পরিবারের সকল ব্যক্তি সুশৃংখলভাবে পারিবারিক লক্ষ্য অর্জনের কাজে নিয়োজিত কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা।

পরিকল্পিত কর্মসূচি ও পূর্ব নির্ধারিত মান অনুসারে কার্য সম্পাদিত হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা ও প্রয়োজনবোধে উপযুক্ত সংশোধনীর ব্যবস্থা করা এ পর্যায়ের কাজ।

কাজ চলাকালীন অবস্থায় কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে দেখতে হবে, যে পরিকল্পনা করা হয়েছে সে অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কিনা, যাকে যে কাজ দেয়া হয়েছে সে কাজ সঠিকভাবে করছে কিনা ইত্যাদি।

প্রয়োজনবোধে কাজের ধারা পরিবর্তন করে কাজ সম্পাদনের ব্যবস্থা করতে হবে।

এক্ষেত্রে কক্ষটি সাজানো আমার পছন্দ হচ্ছে কিনা বা না হলে আমি যা করব – প্রয়োজন অনুযায়ী গৃহীত পরিকল্পনায় কিছুটা রদবদল করে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করে দৃষ্টিনন্দন করার চেষ্টা করবো।

মূল্যায়ন –

গৃহ ব্যবস্থাপনার সর্বশেষ পর্যায় হলো মূল্যায়ন করা।

কাজের ফলাফল বিচার বা যাচাই করাই হচ্ছে মূল্যায়ন। পরিকল্পনা ও নিয়ন্ত্রণের ওপর কাজের ফলাফল নির্ভর করে।

কাজটি করার পেছনে যে লক্ষ্য ছিল তা অর্জনে পূর্ববর্তী পর্যায়গুলোর অবদান পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে মূল্যায়ন করতে হবে।

মূল্যায়ন ছাড়া কাজের সফলতা ও বিফলতা নিরূপণ করা যায় না। কাজের উদ্দেশ্য বা লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে ফলাফল যাচাই করতে হয়। উদ্দেশ্য সাধিত না হলে ফলাফল ভালো হলো না বুঝতে হবে।

সঠিক মূল্যায়নের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে-
লক্ষ্য অনুযায়ী পরিকল্পিত কাজগুলো ঠিকমতো হয়েছে কি না।
কাজের সফলতা বা ব্যর্থতা নিরূপণ করা।
কাজে ব্যর্থ হলে ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধান করে পরবর্তীতে সংশোধনের মাধ্যমে কাজে সফল হওয়া।

মূল্যায়নের ভিত্তিতে বলতে পারি, সাজানো গোছানো পরিপাটি কক্ষটিতে বসে এখন আমার অনেক ভালো লাগছে।

দৃষ্টিনন্দন এই কক্ষে বসে আমি আরামবোধ করছি। আমার কক্ষের প্রতিটি জিনিসই এখন আকর্ষিত। এই কক্ষে অবস্থান করে আমি এখন যথেষ্ট আত্মতৃপ্তি পাচ্ছি।

Muntasir Srabon

Muntasir Srabon is a student of Masters Of Arts from National University Of Bangladesh under Rajshahi College. During his graduation he has taken different types of courses on Writing Skills. He has a lots of experienced of managing several article publishing websites. Now he is working as a Freelance Writer for different international projects.

Related Articles

Back to top button
Close